GuidePedia

 আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর ডাকা দ্বিতীয় দিনের হরতালে রাজধানীতে জামায়াতের কর্মীদের তৎপরতা এখনো কোথাও দেখা যায়নি। রোববার রাজধানীর কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বেলা যত গড়াচ্ছে রাজধানীতে যানবাহনের পরিমাণ বাড়ছে। রাজধানীর ভেতরে যানবাহন চলাচল করলেও ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার কোনো বাস। তবে ট্রেন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সকাল ৯টা পর্যন্ত খোলেনি দূরপাল্লার কোনো বাসের কাউন্টার। রাজধানীর কমলাপুর, ফকিরাপুল ও মালিবাগের বাসের কাউন্টারগুলো ছিল তালাবদ্ধ।



রাজধানীর মালিবাগ, কমলাপুর, ফকিরাপুল, তেঁজগাও শিল্প এলাকা, মহাখালী, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরা ঘুরে দেখা গেছে, মাঠে নেই কোনো জামায়াতের কর্মী। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছিল সতর্ক অবস্থান। মানুষের জীবনযাত্রাও ছিল স্বাভাবিক। যার যার কর্মক্ষেত্রে বেরিয়ে পড়েছে সবাই। ভোর ৬টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত কোথাও কোনো নাশকতার চিত্র চোখে পড়েনি।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ডের প্রতিবাদে ডাকা জামায়াতে ইসলামীর ৪৮ ঘণ্টার হরতালের দ্বিতীয় ও শেষ দিন রোববার ভোর ৬টায় শুরু হয়েছে। চলবে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত প্রথম দফা হরতাল পালন করে জামায়াত। মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সাঈদীর আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার তার মৃত্যুদ- কমিয়ে আমৃত্যু কারাবাসের রায় দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ রায় ঘোষণার পর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ ও ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই দফায় ৪৮ ঘণ্টা হরতালের ঘোষণা দেন।
 
Top