এই দেশে হয় খালেদা জিয়া তার দোসর খুনি রাজাকারদের নিয়ে থাকবেন, নয় আমরা স্বাধীনতার পক্ষের লোকজন থাকব। হয় এসপার নয় ওসপার।’
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন ।
সমিতির সভাপতি সেলিম ওমরাও খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবান মাহমুদ, জয়বাংলা সাংবাদিক মঞ্চের সভাপতি জয়ন্ত আচার্য প্রমুখ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস হত্যাকারী, নাশকতার রাণী, মিথ্যাচারের রাণী খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা হতে পারেনা।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান হচ্ছেন দেশের চার নম্বর মিরজাফর, বিশ্বাসঘাতক। দেশে রাজাকারদের পুনর্বাসন করে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রক্ষা করে, ইতিহাস হত্যা করে বিকৃত করে তিনি মিরজাফরি করেছেন। জিয়া বিশ্বাসঘাতকতা করে বাঙালি জাতিসত্বাকে হত্যা করেছেন।
মোস্তাক আহমদকে ইতিহাসের তৃতীয় মিরজাফর হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো সমঝোতার সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘হয় আমরা থাকব নয়ত খালেদা ও রাজাকাররা থাকবে। এখানে মাঝামাঝি থাকার কোনো পথ নাই। তবে খালেদাকে থাকতে হলে যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদ-রাজাকারদের ছেড়ে আত্মসমর্পণ করতে হবে। নয়ত মিরজাফরদের সঙ্গে তারও (খালেদার) কবর হবে।’
মিরজাফরদের উত্তরসূরি হিসেবে খালেদা জিয়াকে আখ্যায়িত করে তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, তিনিও তাদের মতো ইতিহাস ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। মোস্তাকরা ইতিহাস ধামাচাপা দিতে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। আর ইতিহাসের মিরজাফর উত্তরসূরি খালেদা ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।
ওমর ফারুক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মূলত: বাঙালী জাতিসত্বাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু খুনিরা চিরদিনই ধিকৃত। বঙ্গবন্ধু এ দেশের সূর্য সন্তান, কোন দিনও তার নাম মুছে ফেলা যাবে না। কোন অপপ্রচার করে ইতিহাসকে বিকৃত করা যাবে না।
সেলিম ওমরাও খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। একটি জাতির স্বপ্ন দ্রষ্টা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এদেশের আপামর মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা জানেনা বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায় না।
অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্টের শোক দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি ‘এ শোক বহিবার নহে’ শিরোনামে একটি স্যুভেনির প্রকাশ করেছে।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ঢাকাস্থ গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন ।
সমিতির সভাপতি সেলিম ওমরাও খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবান মাহমুদ, জয়বাংলা সাংবাদিক মঞ্চের সভাপতি জয়ন্ত আচার্য প্রমুখ।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিহাস হত্যাকারী, নাশকতার রাণী, মিথ্যাচারের রাণী খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা হতে পারেনা।
তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান হচ্ছেন দেশের চার নম্বর মিরজাফর, বিশ্বাসঘাতক। দেশে রাজাকারদের পুনর্বাসন করে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রক্ষা করে, ইতিহাস হত্যা করে বিকৃত করে তিনি মিরজাফরি করেছেন। জিয়া বিশ্বাসঘাতকতা করে বাঙালি জাতিসত্বাকে হত্যা করেছেন।
মোস্তাক আহমদকে ইতিহাসের তৃতীয় মিরজাফর হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনো সমঝোতার সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘হয় আমরা থাকব নয়ত খালেদা ও রাজাকাররা থাকবে। এখানে মাঝামাঝি থাকার কোনো পথ নাই। তবে খালেদাকে থাকতে হলে যুদ্ধাপরাধী-জঙ্গিবাদ-রাজাকারদের ছেড়ে আত্মসমর্পণ করতে হবে। নয়ত মিরজাফরদের সঙ্গে তারও (খালেদার) কবর হবে।’
মিরজাফরদের উত্তরসূরি হিসেবে খালেদা জিয়াকে আখ্যায়িত করে তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, তিনিও তাদের মতো ইতিহাস ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। মোস্তাকরা ইতিহাস ধামাচাপা দিতে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে। আর ইতিহাসের মিরজাফর উত্তরসূরি খালেদা ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।
ওমর ফারুক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে মূলত: বাঙালী জাতিসত্বাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু খুনিরা চিরদিনই ধিকৃত। বঙ্গবন্ধু এ দেশের সূর্য সন্তান, কোন দিনও তার নাম মুছে ফেলা যাবে না। কোন অপপ্রচার করে ইতিহাসকে বিকৃত করা যাবে না।
সেলিম ওমরাও খান বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। একটি জাতির স্বপ্ন দ্রষ্টা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এদেশের আপামর মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরা জানেনা বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলা যায় না।
অনুষ্ঠানে ১৫ আগস্টের শোক দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জ সাংবাদিক সমিতি ‘এ শোক বহিবার নহে’ শিরোনামে একটি স্যুভেনির প্রকাশ করেছে।